নর্মদা নদী মধ্যপ্রদেশের জীবনরেখা মানা হয়৷ এই নদীর তীরে রয়েছে ওংকারেশ্বর মন্দির৷ এই মন্দির 12টা জ্যোর্তিলিঙ্গগুলির মধ্যে একটি৷
এখানের সুরম্য পরিবেশে এসে শ্রদ্ধালু শিবভক্তরা শিবভক্তিতে লীন হয়ে যায়৷ এই মন্দিরের একটা বিশেষ দিক হল যে পাহাড়ের উপর এই মন্দির বানানো হয়েছে এটা স্বয়ং ওং আকার যুক্ত৷
ফটোগ্যালারী দেখার জন্য ক্লিক করুন
এর সাথে যদি উচ্চতা দেখা হয় তবে মাতা নর্মদা এই ওংকারের উপর দিয়ে বইছে৷ এখানে তীব্র গতিবেগের নর্মদা একেবারে শান্ত৷
একটা মুখরোচক খবর এও আছে যে এখানে একটা নয় দুটো শিবলিঙ্গ আছে, যাদেরকে যথাক্রমে ওংকারেশ্বর ও মমলেশ্বর নামে ডাকা হয়৷ দুটোর নামে মানা হয় যে এটি স্বয়ংভু৷ দুটো মন্দির নদীর আলাদা আলাদা কিনারায় রয়েছে৷
বলা হয় এখানে মান্ধাতা নামে এক দিব্য পুরুষের 2টি ছেলে অম্বরীশ ও মুষুকুন্দ কঠিন তপস্যা করেছিল, আর এই কারণে এখানে একটা নয় দুটো শিবলিঙ্গ স্থাপিত আছে৷ পুত্রদের কঠিন তপস্যার কারণে এখানকার একটা পর্বত মান্ধাতা পর্বত নামে পরিচিত৷ -শিব পুরাণ অনুসারে
ওংকার বাবা এবং মমলেশ্বরকে ওংকারেশ্বরের স্বামী মানা হয়৷ প্রত্যেক সোমবার এখানে দুজনেই নিজের নিজের প্রজাদের দুঃখ-সুখ জানার জন্য নগর ভ্রমণে বেরোন৷
এই সময় ওংকার ভগবানকে গান-বাজনার সাথে নৌকাতে বসিয়ে মমলেশ্বর মন্দিরের ঘাটে নিয়ে যাওয়া হয়৷ এখান থেকে দুটোর ভগবানের যাত্রা নগর ভ্রমণের উদ্দেশ্যে বেরোয়৷
প্রত্যেক সোমবার হওয়া এই আয়োজনে শ্রাবণ মাসের সোমবারগুলি বিশেষ মানা হয়৷ নিজের আরাধ্য দেবতার দর্শনের কারণে শহরের সমস্ত জায়গায় ভীড় উপচে পড়ে৷
ফের শ্রাবণ মাসের শেষ সোমবার মনোহারী দৃশ্য বলে বোঝানো যাবে না৷ শ্রাবণ মাসের শেষ সোমবারে এখানে আবীরের রং খেলা হয়৷ যেখানে তাকাও সেখানেই আবীরের এই দৃশ্য দেখা যাবে৷
|