ভারতের মহান সন্ন্যাসীদের তালিকায় দাদাজী ধুনিবালের নাম্ সামিল রয়েছে৷ সিরডির সাইবাবার মত তিনি প্রসিদ্ধি লাভ করেছেন৷ তিনি একজন উচুদরের সন্ন্যাসী ছিলেন৷ ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে তিনি পরিভ্রমন করতেন৷ প্রতিদিন আগুনের সম্মুক্ষে তিনি ধ্যানে বসতেন বলে তিনি দাদাজী ধুনিবালে নামে পরিচিতি লাভ করেন৷ ভক্তরা দাদাজী ধুনিবালেকে ভগবান শিবের অবতার মনে পূজো করেন৷ বলা হয়, দাদাজীর দরবারে এসে কোন মনকামনা যদি আপনি দাদাজীর কাছে নাও জানান তাহলেও আপনার সেই মনকামনা পূর্ণ হয়ে যাবে৷
দাদাজীর জীবন বৃত্তান্ত সম্পর্কিত সেইরকম তথ্য মজুত নেই৷ তবে দাদাজীর মহিমা সম্পর্কিত অনেক কথা প্রচলিত আছে৷ দাদাজীর সমাধি স্থলেই দাদাজীর মন্দির স্থাপন করা হয়েছে৷ দেশে বিদেশে দাদাজীর প্রচুর ভক্ত রয়েছেন৷ ভারত এমনকি ভারতের বাইরে বিদেশেও দাদাজীর 27টি ধাম রয়েছে৷ এই সব ধামগুলোতে দাদাজীর সময় থেকে নিরন্তর ধুনী অর্থাত আগুন জ্বলছে৷ আজও সেই ধুনী নির্বাপিত হয় নি৷ 1930 সালে খন্ডবা শহরে দাদাজী সমাধিস্থ হন৷ স্থানীয় রেলওয়ে স্টেশন থেকে এই সমাধিস্থানটি 3 কিমি দূরত্বে অবস্থিত৷
ছোটে দাদাজী (স্বামী হরিহরানন্দজী )
রাজস্থানের ডিডবানা গ্রামের ভবরলাল দাদাজীর সঙ্গে সাক্ষাত করতে আসেন৷ ভবরলাল ছিলেন সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান৷দাদাজীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর ভবরলাল নিজেকে ধুনীবালে দাদাজীর চরণে সমর্পণ করেন৷ ভবরলাল ছিলেন শান্ত স্বভাবের মানুষ৷ তিনি দিনরাত দাদাজীর সেবা করতেন৷ দাদাজী ভবরলালকে তাঁর শিষ্য হিসাবে গ্রহন করে তাঁর নামকরন করেন হরিহরানন্দ৷ পরর্তীকালে ভক্তরা হরিহরানন্দকে ছোটে দাদাজী নামে সম্বোধন করেন৷
দাদাজী ধুনিবালে দেহত্যাগ করার পর হরিহরানন্দজীকে তাঁর উত্তরাধিকারী হিসাবে মানা হয়৷ 1942 সালে হরিহরানন্দজী মহানির্বান লাভ করেন৷ দাদাজী ধুনিবালের সমাধির নিকটেই ছোটে দাদাজীর সমাধি স্থাপন করা হয়৷
কেমন করে যাবেন?
রেলপথে: খন্ডবা হল মধ্য এবং পশ্চিম রেলওয়ের একটা মুখ্য স্টেশন৷ ভারতের যে কোন স্থান থেকেই এই স্থানে যাওয়ার ট্রেন পাওয়া যায়৷
সড়ক পথে: ইন্দোর থেকে 135 কিমি এবং ভূপাল থেকে 175 কিমি দূরত্বে এই স্থানটি অবস্থিত৷ রেলপথে অথবা সড়কপথে আপনি দুভাবেই খন্ডবাতে যেতে পারবেন৷
বিমান পথে: এখান থেকে দেবী অহিল্যা দেবী এযারপোর্টটি 140 কিমি দূরত্বে অবস্থিত৷
|