ধর্মযাত্রার এই পর্বে আমরা আপনাদের খন্ডবার ভবানী মায়ের মন্দিরটি দর্শন করাব৷ ধুনীবালে দাদাজীর মন্দিরের পাশেই তুলজা ভবানীর এই মন্দিরটি অবস্থিত৷ জনশ্রুতি আছে ভগবান রাম যখন বনবাসে ছিলেন তখন তিনি এই তুলজা ভবানীর মন্দিরে এসে নয় দিন তপস্যা করেছিলেন৷ নবরাত্রির সময়ে এখানে নয় দিন মেলা বসে৷ এই সময় মাকে দর্শন করার জন্য প্রচুর ভক্তরা এখানে আসেন৷ মন্দিরের ভিতরে রুপো দিয়ে নকশা করা হয়েছে৷ মায়ের মুকুট এবং ছাতাটা ও রুপো দিয়ে তৈরী করা হয়েছে৷
প্রথমে ভবানী মাকে নকটী মা নামে অভিহিত করা হত৷ পরবর্তীকালে দাদাজী ধুনিবালের পরামর্শে মাকে ভবানী মা নামে সম্বোধিত করা হয়৷ মন্দির পরিসরটি অত্যন্ত সুন্দর৷ মন্দিরের প্রবেশ দ্বারের স্তম্ভটি শঙ্খের আকৃতি বিশিষ্ট৷ মন্দিরের ভিতরে একটি বিশাল প্রদীপ জ্বলতে থাকে৷ এই স্থানের প্রদীপগুলো সব শঙ্খের মত আকৃতি বিশিষ্ট৷
ভবানী মায়ের মন্দিরের সামনে শ্রীরাম মন্দির, তুলজেশ্বর হনুমান মন্দির আর তুলজেশ্বর মহাদেব মন্দিরটি অবস্থিত৷ এই মন্দিরগুলোতে আকর্ষনীয় মূর্তি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে৷ তুলজা ভবানীর এই মন্দিরটি অত্যন্ত জাগ্রত মন্দির৷ মায়ের দরবারে গিয়ে ভক্তরা যদি মার কাছে কিছু নাও চান তাহলেও মা ভক্তদের মনোকামনা পূর্ণ করে দেন৷
কেমন করে যাবেন?
ভারতের যে কোন প্রান্ত থেকে সড়ক পথে অথবা রেলপথে আপনি এই মন্দিরে যেতে পারবেন৷ তাছাড়া এর নিকটে রয়েছে দেবী অহল্যা বাঈ বিমানবন্দর৷ ইন্দোর থেকে এই মন্দিরটি 140 কিমি দূরত্বে অবস্থিত৷
|