মুখ্য পৃষ্ঠা > ধর্ম > ধর্ম যাত্রা > নিবন্ধ > দত্ত মহারাজের তপভূমি নৃসিংহবাডি
পরামর্শ বা প্রতিক্রিয়ামিত্রকে পাঠানএই পৃষ্ঠা প্রিন্ট করুন
 
দত্ত মহারাজের তপভূমি নৃসিংহবাডি
কিরণ জোশী


ধর্মযাত্রার এই পর্বে আমরা আপনাদের কোলহাপুর জেলার কৃষ্ণ পঞ্চগঙ্গার সঙ্গমে অবস্থিত নৃসিংহ ওয়াডি গ্রামের দৃশ্য পরিদর্শন করাব৷ ভগবান দত্তের এই দেবভূমিটি নরসোবাবাডি নামে প্রসিদ্ধি লাভ করেছে৷

শ্রীপাদশ্রী বল্লভ শ্রীগুরু দত্ত মহারাজ হলেন প্রথম অবতার৷ নৃসিংহসরস্বতী হলেন এর দ্বিতীয় অবতার৷ দত্ত মহারাজ এই স্থানটিতে দীর্ঘ 12 বছর তপস্যা করেছেন৷ এই কারণেই এই স্থানটাকে তপভূমি বলে মনে করা হয়৷ এখানে দত্ত মহারাজের প্রতিমার স্থানে তাঁর চরণ পাদুকাকে পূজো করা হয়৷

পুরাণ অনুসারে এখানে তপস্যা করার পরে দত্ত মহরাজ ওদম্বর,গাণগাপুর পরিদর্শন করে কর্দলীবনে গেছিলেন৷ এখানেই তাঁর অবতার রুপ ধরা শেষ হয়৷ দত্ত ভগবানের পবিত্র স্পর্শে এই স্থানটির খ্যাতি চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে৷ প্রতিদিন হাজার হাজার ভক্তরা এখানে দত্ত ভগবানের পাদুকা দর্শন করতে আসেন৷ পাদুকাকে প্রণাম করে তারা আশীর্বাদ গ্রহণ করেন৷

দুই নদীর সঙ্গম স্থলে অবস্থিত এটি একটি দর্শনীয় স্থান৷ কৃষ্ণা নদীর তটে মধ্যভাগে অবস্থিত এই স্থানটিতেই দত্ত ভগবানের মন্দিরটি নির্মিত হয়েছে৷ এখানে দত্ত ভগবানের পাদুকা দর্শনেই পুন্য অর্জিত হয়৷ মন্দিরের বিশেষত্ব হল মন্দিরটা মসজিদের আকৃতিতেই তৈরী করা হয়েছে৷ এখানে পাদুকার উপর যে বস্ত্রটা চড়ানো হয় তা মুসলিমদের রীতি অনুসারেই করা হয়৷ এখানে সব ধর্মের মানুষরাই দত্ত ভগবানের পাদুকাটি দর্শন করতে আসেন৷

শ্রী নরসিংহ সরস্বতীকে সন্ন্যাসী রুপে পূজো করা হয়৷ শ্রী জনার্দন স্বামীর অনুমতিতেই একনাথ মহারাজ এই ঘাটটি নির্মাণ করেছিলেন৷ এই ঘাটটি অত্যন্ত সুন্দর৷ এখানে অনেক সাধু সন্ন্যাসীদের সমাধি রয়েছে৷ এছাড়া কয়েকটা ছোট ছোট মন্দিরও রয়েছে৷
WDWD


এই মন্দিরের আর একটি বিশেষত্ব হল এখানে কেবল সকাল বেলাই পূজোর সময় ঘন্টা বাজানো হয়৷ অন্য সময় ঘন্টা বাজানো নিষিদ্ধ৷ এর প্রধাণ কারণ হল ভক্তরা এখানে এসে ধ্যান করেন৷ ঘন্টা বাজালে তাদের ধ্যানভগ্ন হয়৷ পূর্ণিমার দিনে এখানে হাজার হাজার ভক্তরা আসেন৷ শনিবার হল দত্ত মহারাজের জন্মদিন৷ সেই কারণে প্রতি শনিবার এখানে ভক্তদের ভিড় পরিলক্ষিত হয়৷ তবে দত্ত জয়ন্তীতে এখানে লক্ষ লক্ষ ভক্তরা আসেন৷

কেমন করে যাবেন?

সড়ক পথে: নৃসিংহবাডি কোলগাপুর থেকে 40 কিমি দূরত্বে অবস্থিত৷ পুনা থেকে এই মন্দিরটি 245 কিমি দূরত্বে অবস্থিত৷ পুনা এখানে আসার জন্য বাস পাওয়া যায়৷

রেলপথে: মুম্বাই, পুনে ও বেলগাও থেকে কোলহাপুর যাওয়ার জন্য অনেক ট্রেন রয়েছে৷

বিমান পথে: এখানকার নিকটতম বিমানবন্দরটি হল কোলহাপুর৷
ভিডিও দেখুন
 Play Free Online Games  Click Here
 Blogs, Videos and More  Click Here
 Send Musical and Animated Cards  Click Here
 Simple, Fast & Free Email Service  Click Here
এখানে তথ্য খুঁজুন
অতিরিক্ত
নান্দেরের প্রসিদ্ধ গুরুদোয়ারা অবচলনগর সাহিব  
জেজুরীর খান্ডোবা মন্দির  
শেখাবাটীর খাটু শ্যামের মন্দির  
শেংদূর্ণীর ত্রিবিকম মন্দির  
ভারতের সব থেকে বৃহত্তম শনি মন্দির  
নন্দুরবারের প্রতিকাশী মন্দির