মুখ্য পৃষ্ঠা > ধর্ম > ধর্ম যাত্রা > নিবন্ধ > ভোপাবরের শান্তিনাথজীর মন্দির
পরামর্শ বা প্রতিক্রিয়ামিত্রকে পাঠানএই পৃষ্ঠা প্রিন্ট করুন
 
ভোপাবরের শান্তিনাথজীর মন্দির
গায়িত্রী শর্মা

ভোপাবরের শ্রী শান্তিনাথ মন্দির জৈনদের তীর্থস্থানগুলোর মধ্যে একটি উল্লেখযোগ্য তীর্থস্থান৷ইন্দোর-আহমেদাবাদ জাতীয় সড়কের উপর অবস্থিত রাজগড় থেকে এই মন্দিরটি 12 কিমি দূরত্বে অবস্থিত৷এই স্থানটির একটি বিশেষ মাহাত্ব্য রয়েছে৷ ভোপাবরের এই মন্দিরে 16 তম জৈন তীর্থঙ্কর শ্রী শান্তিনাথ জীর 12ফিট উচু একটি প্রতিমা রয়েছে৷ শান্তিনাথজীর এই প্রতিমাটি 87,000 বছর পুরোনো৷ এই বিশালাকার মূর্তিটির কোন অবলম্বন ছাড়াই দুপায়ে দাঁড়িয়ে থাকার নমুনাটি সত্যিই উত্কৃষ্ট মূর্তিকলার নিদর্শন৷

ইতিহাসের পাতায় ভোপাবরের এই স্থানটির নানা বর্ণনা রয়েছে৷

ভোপাবরের প্রাদুর্ভাব: ভোপাবরের প্রাচীনত্ব এখানকার রহস্য নিয়ে নানা কাহিনী প্রচলিত আছে৷ কথিত আছে ভোপাবরের মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন শ্রীকৃষ্ণের পত্নী রুক্মিনীর ভাই রুকমনকুমার৷ সেই সময় রুক্মনকুমারের পিতা ভীষ্মক ভোপাবরের থেকে 17কিমি দূরত্বে অবস্থিত ওমিঝারার শাসক ছিলেন৷ রুকমনকুমার শিশুপালের সঙ্গে তাঁর বোনের বিবাহ দিতে চেয়েছিলেন৷ কিন্তু তাঁর বোন মনে মনে শ্রীকৃষ্ণকেই স্বামী হিসাবে গ্রহণ করেছিল৷

রুক্মিনীর বার্তা পাওয়া মাত্রই ভগবান শ্রীকৃষ্ণ ওখানে রথ নিয়ে যান৷ সেখানে তিনি রুক্মিনীকে হরণ করেন৷ রুক্মিনীকে নিয়ে ফিরে যাওয়ার পথে রুকমনকুমার শ্রীকৃষ্ণকে বাঁধা দেন৷ কিন্তু ভগবান শ্রীকৃষ্ণ খুব সহজেই রুকমনকুমারকে পরাজিত করেন৷ শ্রীকৃষ্ণের কাছে পরাজিত হয়ে কুন্দনপুরে ফিরে যান৷ সেখানে তিনি নগরী তৈরী করেন৷ যা বর্তমানে ভোপাবর নামে পরিচিত৷ কথিত আছে রুকমিনিকুমারই এখানে শ্রী শান্তিনাথজীর প্রতিমা স্থাপন করেছিলেন৷
WDWD


প্রভুর চমত্কার:

এই তীর্থস্থানে অনেক বছর ধরেই নানা অলৌকিক কাহিনী ঘটেছে৷ এই অলৌকিক কাহিনীর কথা শিশুদের মনেও প্রভাব ফেলেছে৷ কখনও ভক্তরা ভগবানের পায়ে সাপ দেখেছেন তো কখনও তাঁর মাথা থেকে অমৃত ঝরতে দেখেছেন৷ কখনও শান্তিনাথ জীর গর্ভ গৃহ কয়েক লিটার দুধে ভরে গেছে৷ ভক্তরা এখানে সাদা সাপ দেখেছেন৷

এখানকার স্থানীয় অধিবাসীরা জানান প্রতি বছর এই মন্দির পরিসরে কোন না কোন সাপ এসে খোলস ত্যাগ করে যায়৷ বহু বছর ধরে এই ঘটনা ঘটে আসছে৷ মন্দিরে অনেক সাপের খোলস এখনও সংরক্ষিত রয়েছে৷

কেমন করে যাবেন?

সড়ক পথে: ইন্দোর থেকে ভোপাবরের দূরত্ব 107 কিমি৷ এখান থেকে বাস আর ট্যাক্সিতে আপনি সহজেই যেতে পারবেন৷

রেলপথে: নিকটতম রেলওয়ে স্টেশন হল মেঘনগর৷ যা এই মন্দিরের থেকে 77কিমি দূরত্বে অবস্থিত৷

বিমান পথে: নিকটতম বিমান বন্দর হল অহিল্যা বিমান বন্দর৷
ভিডিও দেখুন
 Play Free Online Games  Click Here
 Blogs, Videos and More  Click Here
 Send Musical and Animated Cards  Click Here
 Simple, Fast & Free Email Service  Click Here
এখানে তথ্য খুঁজুন
অতিরিক্ত
অরন্মূলের পার্থসারথী মন্দির  
দত্ত মহারাজের তপভূমি নৃসিংহবাডি  
নান্দেরের প্রসিদ্ধ গুরুদোয়ারা অবচলনগর সাহিব  
জেজুরীর খান্ডোবা মন্দির  
শেখাবাটীর খাটু শ্যামের মন্দির  
শেংদূর্ণীর ত্রিবিকম মন্দির