মুখ্য পৃষ্ঠা > ধর্ম > ধর্ম যাত্রা > নিবন্ধ > বরোদার কাশীবিশ্বনাথ মন্দির
পরামর্শ বা প্রতিক্রিয়ামিত্রকে পাঠানএই পৃষ্ঠা প্রিন্ট করুন
 
বরোদার কাশীবিশ্বনাথ মন্দির

ভীকা শর্মা

কাশী বিশ্বনাথের কথা শুনলেই বারানসীর বিশ্বনাথের মন্দিরটির কথা মনে পড়ে৷ তবে এই পর্বে আমরা বারানসী নয়, গুজরাটের বরোদার কাশী বিশ্বনাথের মন্দিরটি দর্শন করাব৷সয়াজীরাও গাইকোয়াড় মহারাজের রাজত্বকালে আজ থেকে প্রায় 120 বছর পূর্বে ঐ মন্দিরটির প্রতিষ্ঠা হয়েছিল৷

পরে মহারাজ সয়াজীরাও স্বামী বল্লভরাওকে এই মন্দিরটি দান করে দেন৷ স্বামী বল্লভ রাও এরপরে স্বামী চিদানন্দ সরস্বতী এই মন্দির রক্ষনাবেক্ষনের দায়িত্ব নেন৷ 1948 সালে এই মন্দিরের পুণঃনির্মান করা হয়৷ চিদানন্দ স্বামীর মৃত্যুর পরে মন্দির রক্ষনাবেক্ষনের সব দায়িত্ব ট্রাস্টের উপর দেওয়া হয়৷ বর্তমানে ট্রাস্টই মন্দিরের রক্ষনাবেক্ষনের দায়িত্ব পালন করে৷

গাইকোয়াড় মহারাজের প্রাসাদের সামনেই কাশী বিশ্বনাথের মন্দিরটি অবস্থিত৷ মন্দিরের প্রবেশ দ্বারটি নকশা বহুল এবং অত্যন্ত আকর্ষক৷ মুখ্য দ্বারে প্রবেশ করার পরে কালো পাথর দিয়ে তৈরি নন্দী ভগবানের সুন্দর মূর্তিটি নজরে আসে৷ নন্দীর সঙ্গে সৌভাগ্যের প্রতীক কচ্ছপের প্রতিমাও এখানে রয়েছে৷ নন্দী ভগবানের প্রতিমার এক পাশে স্বামী বল্লভ রাও এর মূর্তি অপরদিকে স্বামী চিদানন্দের মূর্তিও রযেছে৷

মুখ্য মন্দিরটি দুই ভাগে বিভক্ত৷ প্রথম ভাগে একটা বিশাল হল রয়েছে যাতে ভক্তরা পূজোর সময় একত্রিত হয়৷ দ্বিতীয় ভাগটা হল মন্দিরের গর্ভগৃহ৷ মন্দিরের বিভিন্ন দরজায় দেব দেবীদের সুন্দর ও আকর্ষক মূর্তি নকশা করা হয়েছে৷ মন্দিরের ছাতে অত্যন্ত সুন্দর নকশা করা হয়েছে৷

মন্দিরের গর্ভগৃহটা সাদা পাথর দিয়ে তৈরি৷ গর্ভগৃহের মাঝখানে শিবলিঙ্গকে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে৷ শিবলিঙ্গের চারপাশে রুপোর পরত লাগানো হযেছে৷ গর্ভগৃহতে ভক্তরা প্রবেশ করতে পারেন না৷ শিবলিঙ্গের উপরে জল,দুধ ইত্যাদি চড়ানোর জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে৷
WDWD


মন্দির পরিসরে কাশীবিশ্বনাথ হনুমান মন্দির এবং সোমনাথ মহাদেবের মন্দিরও রযেছে৷ একটা ছোট মন্দিরের ভিতরে স্বামী চিদানন্দ সরস্বতী চরণ পাদুকা রাখা হয়েছে৷ শ্রাবণ মাসের প্রতি শনিবার এবং সোমবার এখানে মেলা বসে৷ শিবরাত্রির দিনে প্রচুর ভক্তরা বিশ্বনাথ মহাদেবকে দর্শন করতে আসেন৷ মন্দিরে ভক্ত এবং সাধু সন্ন্যাসীদের থাকার জায়গা রযেছে৷ অতিথিদের খাওয়ারও ব্যবস্থাও রযেছে৷ ট্রাস্টের তরফ থেকেই এই ব্যবস্থা করা হয়েছে৷ এর জন্য ভক্ত ও সন্ন্যাসীদের কাছ থেকে ট্রাস্ট কোন পয়সা নেয় না৷

কেমন করে যাবেন?

সড়ক পথে: বরোদা গুজরাটের রাজধানী গান্ধীনগর থেকে 115 কিমি এবং আহমেদাবাদ থেকে 130 কিমি দূরে অবস্থিত৷

রেলপথে: পশ্চিম রেলওয়ের মুখ্য স্টেশন হল বরোদা৷ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ট্রেন বরোদাতে যায়৷

বিমান পথে: এর নিকটতম বিমান বন্দরটি আমেদাবাদ৷ প্রায় 130 কিমি দূরে অবস্থিত৷
ভিডিও দেখুন
 Play Free Online Games  Click Here
 Blogs, Videos and More  Click Here
 Send Musical and Animated Cards  Click Here
 Simple, Fast & Free Email Service  Click Here
এখানে তথ্য খুঁজুন
অতিরিক্ত
ভোপাবরের শান্তিনাথজীর মন্দির  
অরন্মূলের পার্থসারথী মন্দির  
দত্ত মহারাজের তপভূমি নৃসিংহবাডি  
নান্দেরের প্রসিদ্ধ গুরুদোয়ারা অবচলনগর সাহিব  
জেজুরীর খান্ডোবা মন্দির  
শেখাবাটীর খাটু শ্যামের মন্দির