মুখ্য পৃষ্ঠা   খেলার জগত্  ক্রিকেট  নিবন্ধ
 
রিকি পন্টিং (অস্ট্রেলিয়া)
রিকি পন্টিং (অস্ট্রেলিয়া)

পুরো নাম---------:----- রিকি থমাস পন্টিং
জন্ম-------------:----- 1974 সালের 19ই ডিসেম্বর, লানসেসটান, তাসমানিয়া৷
বর্তমান বয়স------:----- 32 বছর 133 দিন৷
প্রধান দল---------:----- অস্ট্রেলিয়া, আইসিসি বিশ্ব একাদশ, তাসমানিয়া ও সমারসেট৷
ডাকনাম----------:----- পন্টার
খেলার পজিশন------:----- মিডিলঅর্ডার ব্যাটসম্যান
ব্যাটিং স্টাইল-------:----- ডানহাতি খেলোয়ার
বোলিং স্টাইল-------:----- ডান-হাতি মিডিয়াম পেসার
উচ্চতা------------:----- 1.78 মিটার
ফিল্ডিং অবস্থা------:----- পরিস্থিতি বুঝে যখন যেখানে দরকার
কোন খেলোয়ার------:----- টেস্ট ম্যাচ ও একদিনের ম্যাচ

জীবনী

রিকি পন্টিংয়ের ছোটবেলায় কোচ ছিলেন রড মার্শ৷ তিনি মাত্র 17 বছর বয়সে তাসমানিয়া টীমে ঢুকে পড়েন৷ আর জাতীয় দলে ঢোকেন মাত্র 20 বছর বয়সে৷ তিনি তার প্রথম অভিষেক টেস্টে শ্রীলংকার বিরুদ্ধে 96 রান করেন৷ তিনি ভাল সীম বল খেলেন ও ভাল ফিংগার স্পিনারের বিরুদ্ধে খেলেন৷ 1990 সালে তিনি মদের কারনে ফিল্ড ছাড়তে বাধ্য হন৷ কিন্তু তারপর সেই প্রবলেম কাটিয়ে তিনি সফল অস্ট্রেলিয়া টীমের হৃদপিন্ড হয়ে যান৷ অনেককিছু শেখবার পর তিনি দেখতে পান বিখ্যাত অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়কের টুপির দাবিদার তিনি ছাড়াও শেন ওয়ার্ন ও আডাম গিলক্রিস্ট রয়েছে৷ অবশ্য নির্বাচকরা স্টীভ ওয়াঘের থেকে একদিনের অধিনায়কের পদ দেন রিকি পন্টিংকে 2002 সালে৷ তারা যে সঠিক লোককে এজন্য বেছেছেন তার প্রমান তারা পায় যখন অস্ট্রেলিয়া 2003 সালের বিশ্বকাপের একটাও ম্যাচ না হেরে বিশ্বকাপ জিতে নেয়৷ চমক আরও বাকি ছিল 2007 সালের বিশ্বকাপও অপরাজিত থেকে অস্ট্রেলিয়া বিশ্বকাপ জেতে৷ এছাড়াও দুটি বিশ্বকাপেই রিকি পন্টিং খুব ভালো ফর্মে ছিলেন৷ 2003 সালের বিশ্বকাপের ফাইনালে অপরাজিত 140 রান করে ভারতের কাপের স্বপ্ন চূর্ন করে দেন৷ আঙ্গুল ভেঙে যাওয়াতে তিনি ভারতের সঙ্গে টেস্ট সিরিজে তিনি খেলতে পারেন নি৷ তার জায়গায় আডাম গিলক্রিস্ট দ্বায়ীত্ব নেন ও 35 বছর পর অস্ট্রেলিয়া ভারত থেকে টেস্ট সিরিজ জিতে ফেরে৷ সূস্থ হয়ে ফিরে তিনি পাকিস্তানের সঙ্গে 207 রানের ইনিংস খেলে অস্ট্রেলিয়ার চার নম্বর ব্যাটসম্যান হন যারা চারটে করে ডাবল সেঞ্চুরি করেছে৷ গাভাসকার বিশ্বাস করেন যে তার অবসর নেওয়ার পর একটা যোগ্য লোকের হাতে দ্বায়ীত্ব পড়েছে যে টীমটাকে সুন্দরপথে চালনা করছে৷

জীবনে কি পেয়েছেন

2006 সালে পান উইসডেন ক্রিকেটার অব দ্য ইয়ার৷
2002 সালে পান একদিনের আন্তর্জাতিক প্লেয়ার অব দ্য ইয়ার৷
2003, 2004, 2006 সালে পান আই সি সি টেস্টের প্লেয়ার অব দ্য ইয়ার৷
2006 সালে পান আই সি সি প্লেয়ার অব দ্য ইয়ার৷
এলান বর্ডার মেডেল পান 2004, 2006 ও 2007 সালে

----------- টেস্ট ম্যাচ----------
ম্যাচ-----------:- -----110 টা
ইনিংস- --------:------ 183 টা
নটআউট- ------:- ---- 25 বার
মোট রান-- ---- :---- 9368 রান
বল খেলেছেন-----:---- 15890 টা
সর্বোচ্চ---------:-- --- 257 রান
গড়- ---------:------ 59.29
100র সংখ্যা- ---:------- 33 টা
50-র সংখ্যা-----:------ 36 টা
মোট 6-এর সংখ্যা-:----- 57 টা
মোট 4-এর সংখ্যা-:--- 1059 টা
ক্যাচআউট- ---- :--- 124 বার
স্ট্যাম্প আউট---- :---- 00 বার
স্ট্রাইক রেট------ :----- 58.95

---------একদিনের ম্যাচ---------
ম্যাচ-----------:- -----280 টা
ইনিংস- --------:------ 272 টা
নটআউট- ------:- ---- 32 বার
মোট রান-- ---- :---- 10395 রান
বল খেলেছেন-----:----- 12950 টা
সর্বোচ্চ---------:-- --- 164 রান
গড়- ---------:------ 43.31
100র সংখ্যা- ---:------- 23 টা
50-র সংখ্যা-----:------ 62 টা
মোট 6-এর সংখ্যা-:----- 132 টা
মোট 4-এর সংখ্যা-:----- 898 টা
ক্যাচআউট- ---- :--- 124 বার
স্ট্যাম্প আউট---- :---- 00 বার
স্ট্রাইক রেট------ :----- 80.27

সর্বশেষ সংযোজন : 30শে অপ্রিল, 2007
অতিরিক্ত
শচিন রমেশ তেন্ডুলকর
রাহুল শরদ দ্রাবিড়
মহেন্দ্র সিং ধোনী
অনিল কুম্বলে
মহম্মদ কাইফ
অজিত ভালচন্দ্র আগরকর