মুখ্য পৃষ্ঠা > খেলার জগত্ > ক্রিকেট > নিবন্ধ
পরামর্শ বা প্রতিক্রিয়ামিত্রকে পাঠানএই পৃষ্ঠা প্রিন্ট করুন
 
অ্যাডাম গিলক্রিস্ট (অস্ট্রেলিয়া)
জয়দীপ নাথ
অ্যাডাম গিলক্রিস্ট(অস্ট্রেলিয়া)

পুরো নাম-------- :------অ্যাডাম ক্রেগ গিলক্রিস্ট
জন্ম-------------:------1971 সালের 14ই নভেম্বর, নিউ সাউথ ওয়েলস৷
বর্তমান বয়স------:------35 বছর 168 দিন৷
প্রধান দল--:--অস্ট্রেলিয়া, আইসিসি বিশ্ব একাদশ, নিউ সাউথ ওয়েলস ও পশ্চিম অস্ট্রেলিয়া৷
ডাকনাম- --------:------গিলি ও চার্চি
খেলার পজিশন-----:- -----উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান
ব্যাটিং স্টাইল------:------বাঁহাতি খেলোয়ার
বোলিং স্টাইল------:------ডান-হাতি অফস্পিনার
উচ্চতা-----------:------1.86 মিটার
ফিল্ডিং অবস্থা-----:----- উইকেটকিপার
কোন খেলোয়ার----:----- টেস্ট ম্যাচ ও একদিনের ম্যাচ

জীবনী :

অ্যাডাম গিলক্রিস্ট প্রথমেই নামুক বা সাতে নামুক তিনি হলেন অস্ট্রেলিয়ার খেলার যে নীতি নিয়ে চলে তার প্রাণ কেন্দ্র৷ আধুনিক যুগের সবচেয়ে মারাত্মক ক্রিকেটার হলেন ইনি৷ ব্যাটিং ধ্বংসের নমুনা এমন যে তাঁর টেস্টের ব্যাটিং স্ট্রাইক রেট 82 এবং একদিনের তাঁর স্ট্রাইক রেট 96৷ যেটা একমাত্র তুলনা চলে ভিভ রিচার্ডসের সঙ্গে কারন তিনিও এরকম ব্যাটিং করতেন৷

2004 সালে তাঁর মারাত্মক ব্যাটিংয়ের জন্য পুমা তার সাথে 2 মিলিয়ান ডলারের চুক্তি করে৷ তাঁর এরকম চুক্তি নিয়ে কেউ কোন প্রশ্ন তোলে নি যে সে এর যোগ্য কিনা৷ অভিষেক টেস্টে তিনি করেন 81 রান ও সঙ্গে পাঁচটা ক্যাচ ও একটা স্ট্যাম্পিং৷ তিনি প্রথম সেঞ্চুরি করেন বাংলাদেশের সঙ্গে 2006 সালের এপ্রিল মাসে বাংলাদেশ সফরে৷ তিনি যে 144 রান করলেন সেটাই ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট হয়ে যায়৷

তাঁর কিছু টেস্টে মারাত্মক ম্যাচ বাঁচানো ইনিংস আছে৷ একটা হল হোবার্টে পাকিস্তানের সঙ্গে যখন অস্ট্রেলিয়া ম্যাচ প্রায় হারতে চলেছে ঠিক সেইসময়ে তিনি করলেন 149 রান৷ আরেকটা হল দক্ষিন আফ্রিকার সঙ্গে 204* রান ও অন্যটা হল পার্থে মাত্র 57 বলে অ্যাসেজ সিরিজে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সেঞ্চুরি৷ তিনি উইকেটকিপার হিসাবে 414 বার আউট করেছেন যেটা আগের অস্ট্রেলিয়ার রডনি মার্শ ও ইয়ান হিলিকে পিছনে ফেলে দিয়েছে৷ বর্তমানে তিনি উইকেটকিপার হিসাবে একনম্বর কিপার৷

তিনি প্রথম উইকেটকিপার হিসাবে 2007 সালের বিশ্বকাপের ফাইনালে প্রথম সেঞ্চুরি করলেন এবং এত রান করলেন৷ এর আগে শুধু কিপার হিসাবে বিশ্বকাপে বেশি রান ছিল রাহুল দ্রাবিড়ের তিনি সেটাও ভেঙ্গে দিলেন৷ ফাইনালে বেশি ছয় মারার রেকর্ড ছিল পন্টিংয়ের-আট টা৷ তিনি সেটা স্পর্শ করলেন৷

জীবনে কি পেয়েছেন :

2002 সালে পান উইসডেন ক্রিকেটার অব দ্য ইয়ার৷
2003 সালে পান একদিনের আন্তর্জাতিক প্লেয়ার অব দ্য ইয়ার৷
2004 সালে পান একদিনের আন্তর্জাতিক প্লেয়ার অব দ্য ইয়ার৷


------------টেস্ট ম্যাচ-----------

ম্যাচ-------------:-------95 টা
ইনিংস-----------:-------136 টা
নটআউট---------:-------20 বার
মোট রান---------:---- 5556 রান
বল খেলেছেন------:------6778 টা
সর্বোচ্চ-----------:----- 204* রান
গড়-------------:-------47.89
100র সংখ্যা-------:-------17 টা
50-র সংখ্যা-------:-------26 টা
মোট 6-এর সংখ্যা---:-------100 টা
মোট 4-এর সংখ্যা---:------676 টা
ক্যাচআউট--------:------377 বার
স্ট্যাম্প আউট----- :------ 37 বার
স্ট্রাইক রেট--------:------81.97

-----------একদিনের ম্যাচ-----------

ম্যাচ-------------:-------277 টা
ইনিংস-----------:------- 269 টা
নটআউট---------:-------11 বার
মোট রান---------:---- 9297 রান
বল খেলেছেন------:------9594 টা
সর্বোচ্চ-----------:------172 রান
গড়-------------:-------36.03
100র সংখ্যা-------:-------15 টা
50-র সংখ্যা-------:-------53 টা
মোট 6-এর সংখ্যা---:-------143 টা
মোট 4-এর সংখ্যা---:------1130 টা
ক্যাচআউট--------:------ 401 বার
স্ট্যাম্প আউট----- :------ 53 বার
স্ট্রাইক রেট--------:------ 96.90

সর্বশেষ সংযোজন : 26শে জানুয়ারী, 2008
অতিরিক্ত
রিকি পন্টিং (অস্ট্রেলিয়া)
শচিন রমেশ তেন্ডুলকর
রাহুল শরদ দ্রাবিড়
মহেন্দ্র সিং ধোনী
অনিল কুম্বলে
মহম্মদ কাইফ