পুরো নাম---------:------ জাভাগাল শ্রীনাথ জন্ম-------------:------ 1969 সালের 31শে আগস্ট, মহীশুর (বর্তমান মাইসোর), কর্ণাটক, ভারতবর্ষ৷ বর্তমান বয়স------:------ 37 বছর 279 দিন৷ প্রধান দল---------:------ ভারতবর্ষ, কর্ণাটক, গ্লোস্টেশায়ার এবং লিস্টারশায়ার৷ ডাকনাম----------:------ শ্রীনাথ৷ খেলার পজিশন------:------ লোঅর্ডার ব্যাটসম্যান ও ওপেনিং বোলার ব্যাটিং স্টাইল-------:------ ডানহাতি খেলোয়াড় বোলিং স্টাইল-------:-------ডান-হাতি ফাস্ট-মিডিয়াম পেস বোলার কোন খেলোয়াড়------:------- টেস্ট ম্যাচ ও একদিনের ম্যাচ
জীবনী জাভাগাল শ্রীনাথ নামে এমন একজন বোলারকে ভারতীয় দল পেয়েছিল যার কোন তুলনা নেই৷ শ্রীনাথ যখন ভারতীয় দলে আসেন তখন কপিলদেব প্রায় শেষ পর্যায়ে৷ কপিলদেবের পর ভারত একজন সত্যিকারের ফাস্ট বোলার পেয়েছিল যার আগুনে বোলিং ভারতকে অনেক ম্যাচে জিততে সাহায্য করেছে৷ তার ইনস্যুইং অফ কাটারের কোন জবাব ডানহাতি ব্যাটসম্যানদের কাছে আতঙ্কের কারণ ছিল৷ আর বাঁহাতিদের ক্ষেত্রে বাইরে বেরিয়ে যাওয়া অফকাটারের কোন জবাব ছিল না৷ তখনকার সময়ে তার জোরে বল যত না বিপক্ষের ব্যাটসম্যানদের আতঙ্কের কারণ ছিল তার থেকে দলের কিপারদের কাছে রীতিমত আতঙ্ক ছিল৷ অনেক সময় দেখা গেছে উইকেটকিপারদের ম্যাচ শেষে হাতের তালুতে বরফ ঘষতে৷ পাকিস্তানের বিপক্ষে ইডেন টেস্টে প্রথম ইনিংসে ওরকম মরা পিচে তার বিধ্বংসী জোরে বল করার মাধ্যমে 86 রানে 8 উইকেট নিয়ে পাকিস্তানের প্রথম ইনিংস অল্প রানের মধ্যে শেষ করে দেন এবং ওটাই তার টেস্টে জীবনের বেস্ট বোলিং ফিগার হয়৷ 2003 সালের বিশ্বকাপের আগে তিনি অবসর ঘোষনা করেন৷ মূলত সৌরভের অনুরোধে তিনি অবসর ভেঙ্গে ফিরে আসেন৷ তিনি, জাহির খান ও আশিষ নেহরা এই তিন পেস বোলারের দাপটে ও সৌরভের দাপুটে অধিনায়কত্বের ফলে ভারত মাত্র একটা ম্যাচ হেরে বিশ্বকাপ ফাইনালে উঠেন৷ তিনি 2003 সালের দক্ষিন আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে 14টা উইকেট দখল করেন৷ তিনি যে শুধুমাত্র ভাল বোলিং করতেন তা নয়, তিনি ভাল ব্যাটিংও করতে পারতেন৷ তার প্রমান 1996-97 সালের টাইটান কাপে ব্যাঙ্গালোরের চেন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে খেলাতে অস্ট্রেলিয়ার 215 রানের জবাবে ভারতের 8 উইকেট পড়ে যায় 164 রানে৷ সমস্ত দর্শকরা ধরে নিয়েছে ভারত ম্যাচ হারছে কারন জেতার জন্য 52 রানের দরকার৷ ব্যাটিং করছে তারই অভিন্ন হৃদয় বন্ধু কুম্বলে ও তিনি৷ আর ব্যাটিং বাকি ভেঙ্কটেশ প্রসাদের৷ ঠিক সেখান থেকে তারা দুজন নটআউট থেকে ম্যাচ বের করে আনেন৷ মূলত তার অনবদ্য পারফরম্যান্স ভারতকে হারা ম্যাচ জেতাতে সাহায্য করে৷ বর্তমানে তিনি অবসরের পর আইসিসি পরিচালিত ম্যাচ রেফারীর ভুমিকা পালন করছেন৷
জীবনে কি পেয়েছেন 1984 সালে পান উইসডেন ক্রিকেটার অব দ্য ইয়ার৷
ব্যাটিং ও বোলিং পরিসংখ্যান :
----------টেস্ট ম্যাচ(ব্যাটিং)----------- ম্যাচ-------------:-------67 টা ইনিংস-----------:------- 92 টা নটআউট---------:------- 21 বার মোট রান---------:---- 1009 রান বল খেলেছেন------:------ 2037 টা সর্বোচ্চ-----------:----- 76 রান গড়-------------:-------14.21 100র সংখ্যা-------:------- নেই 50-র সংখ্যা-------:------- 4 টা মোট 6-এর সংখ্যা---:------- 8 টা মোট 4-এর সংখ্যা---:------ 110 টা ক্যাচআউট--------:------ 22 বার স্ট্রাইক রেট--------:------49.53
-------একদিনের ম্যাচ(ব্যাটিং)---------- ম্যাচ-------------:-------229 টা ইনিংস-----------:------- 121 টা নটআউট---------:------- 38 বার মোট রান---------:---- 883 রান বল খেলেছেন------:------ 1109 টা সর্বোচ্চ-----------:----- 53 রান গড়-------------:------- 10.63 100র সংখ্যা-------:------- নেই 50-র সংখ্যা-------:------- 1 টা মোট 6-এর সংখ্যা---:------- 17 টা মোট 4-এর সংখ্যা---:------ 62 টা ক্যাচআউট--------:------ 32 বার স্ট্রাইক রেট--------:------ 79.62
------------টেস্ট ম্যাচ(বোলিং)----------- ম্যাচ-------------:---------67 টা বল করেছেন-------:------ 15104 টা উইকেট----------:-------- 236 টা রান দিয়েছেন------:------- 7196 রান বেস্ট ইনিংস ------:------ 8/86 বেস্ট ম্যাচ--------:-------- 13/132 গড়-------------:------- 30.49 ইকোনোমিক রেট-----:------- 2.85 স্ট্রাইক রেট--------:------ 64.00 4টি উইকেট/ইনিংস --:------- 8 বার 5টি উইকেট/ইনিংস --:------- 10 বার 10টি উইকেট/ম্যাচ --:------- 1 বার ------------একদিনের ম্যাচ(বোলিং)----------- ম্যাচ-------------:---------229 টা বল করেছেন-------:------ 11395 টা উইকেট----------:-------- 315 টা রান দিয়েছেন------:------- 8847 রান বেস্ট ইনিংস ------:------ 5/23 বেস্ট ম্যাচ--------:--------5/23 গড়-------------:-------28.08 ইকোনোমিক রেট-----:------- 4.44 স্ট্রাইক রেট--------:------ 37.88 4টি উইকেট/ম্যাচে --:------- 7 বার 5টি উইকেট/ম্যাচে --:------- 3 বার সর্বশেষ সংযোজন : 06. 06. 2007
|