2011 সাল পর্যন্ত অর্থাত পরবর্তী বিশ্বকাপে পাক দলের অধিনায়ক পদে থাকবেন ইউনিস খান৷ পাক বোর্ডের গত দুই দিন আগে নেওয়ার সিদ্ধান্তের ফলে পাক দলের সাত থেকে আট জন খেলোয়াড় দলের সহ-অধিনায্ক আফ্রিদের নেতৃত্বের টিম ম্যানেজমেন্ট বা বোর্ডের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করতে পারেন বলে পাক সমস্থ সংঅবাদ মাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছিল৷ এবার আফ্রিদি নিজে সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে এমন কোন সম্ভাবনা কথা অস্বীকার করেন৷
আফ্রিদি বলেন দলের মধ্যে বোর্ডের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ হওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই৷ ব্যক্তিগত ভাবে তার সঙ্গে ইউনিস খানের সম্পর্ক অত্যন্ত ভালো৷ বোর্ড ঠিক করবে কে অধিনায়্কা পদ থাকবে৷ সেখানে বোর্ডের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ সমস্থ খেলোয়াড় বোর্ডের সিদ্ধান্ত মেনে নিতে বাধ্য বলে জানিয়েছেন আফ্রিদ৷
তার নেতৃত্বে বিদ্রোহ হতে পারে বলে পাক ও আন্তর্জাতিক মিডিয়াতে যে প্রচার হচ্ছে তা ভুল৷ এমন কোন ধরনের সম্ভাবনা কথা উড়িয়ে দিয়েছেন৷ পাশাপাশি চ্যাম্পিয়ান ট্রফিতে দলের হারের পর পাক মিডিয়া যে ভাবে বেটিং নিয়ে পাক অধিনায়ক ও টিম ম্যানেজমেন্টের সমালোচনা করেছিল তা নিয়ে প্রথমবারের জন্য মুখ খুললেন আফ্রিদি৷ তিনি জানান দল বহু সময় ভালো খেলে হেরে গিয়েছে৷ আবার অপেক্ষাকৃত ভাবে খারাপ খেলে ম্যাচে জিতেছে৷ এভাবে ম্যাচে হারলে যদি বেটিং'র প্রসঙ্গ তোলা হয় তাহলে কিন্তু পাক ক্রিকেটের ক্ষতি হবে৷
প্রসঙ্গত, চ্যাম্পিয়ান ট্রফিতে পাক টিম হেরে যাওয়ার পরে বেটিং'র অভিযোগ ওঠে পাক দলের বিরুদ্ধে৷ তার পরে দেশে ফিরে মিডিয়ার সমালোচনায় বিরক্ত পাক ধিনাযক ইউনিস অধিনায়ক পদ ছেড়ে দিয়েছিলেন৷ পরে বোর্ডের অনুরোধে আবার পাক টিমের দায়িত্ব নিতে রাজি হয়ে যান৷