সাধারণ ভাবে ক্রিকেট স্কোর বোর্ড যদি আগে ব্যাট করে 350 তোলা যায় তাহলে জয়ের জন্য পরে আরও বিশেষ কসরত করতে হয় না৷ সময়ের পরিবর্তনে হয়ত এবার ক্রিকেটের এই ধারণা জলাঞ্জলি যেতে বসেছে, না হলে 350 করে মাত্র তিন রানের ব্যবধানে জিততে হয় বিশ্ব চ্যাম্পিয়ানদের৷ একটু ভুল শুরু হয়ে গেল, ভারত ম্যাচে হারলে জিতে গেলে জিনিয়াস৷
একদিনের ক্রিকেটের অন্যতম আর্কষক সেঞ্চুরি করে ট্রাজিক নায়কের মত সামান্য সুতোর ব্যবধানে ম্যাচে মাঠে রেখে আসার হতাশা হয়ত সচিনের সারা জীবন থাকবে৷ সেখানে ক্রিকেট বিশ্ব সব ভুলে কুর্নিজ জানাবে এই নায়ক'কে, হোক না ট্রাজিক নায়ক৷ পন্টিং ভারতে সফরের আগে বলেছিলেন সচিন যেখানে শেষ করবে সেই উচ্চতায় যেতে গেলে হুইল চেয়ার লাগবে৷ একদম ঠিক জানিয়েছিলেন পন্টিং৷
একদিকে যদি হিমালয়, তাজমহল দিয়ে ভারতবর্ষকে দিয়ে চেনা যায়, তাহলে হয়ত সচিনের দেশ বলে চেনা যেতে পারে৷ টসে জিতে সঠিক ভাবে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরে যখন ওয়াটসন, শন মার্শের দৌলতে 350 রানের লক্ষ্যের সামনে ধোনি বাহিনীকে ছেড়ে দিয়ে ছিলেন পন্টিং তখন অনেকে হয়ত ম্যাচেটা সচিন 17000 হাজার রানের জন্য দেখতে বসেছিলেন৷ তব্বে সচিন কিন্তু আগেই ঠিক করে নিয়েছিলেন তিনি হতাশ করবেন না৷ নয়ত উল্টো দিকে যখন নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট পড়ছে তখন মাথা ঠান্ডা রেখে নিজের কাজ করে যাচ্ছিলেন৷
অভিঞ্জ পন্টিং বুঝতে পরেছিলেন জয়-পরাজয়ের মধ্যে বাধা 5 ফুট 6 ইঙ্গ্চির লোকটা৷ তার জন্য সচিনকে যত ভাবে আউট করা যায় তার চেষ্ঠার কোন কসুর করেন নি৷ বয়স 36 হলেও নামটা তো সচিন তেন্ডুলকার, শুধু মাত্র নিজেদের নামের সঙ্গে সঙ্গতি রেখেই ব্যাট করে যাচ্ছিলেন৷ 350 রান তাড়া করে জেতা যায় না মিথটা ভেঙ্গে দিয়ে যখন ক্রিকেট বিশ্বকে বুঝাতে যাচ্ছিলেন সমস্থ ব্যতিক্রমের নাম সচিন তেন্ডুলকরা৷ সেই সময় অবিবেচকের মত শট মেরে আউট হলেন রায়না, আর রবীন্দ্র জাডেজার রান আউট ইতিহাস থেকে এক পা দুরে রেখে দিল নায়্ক'কে৷
অবসর জীবনে দেশকে ম্যাচে না জেতার পারার জন্য সচিনের যত আপশোস হবে তার থেকে বেশি আপশোস হবে রায়না, জাডেজাদের৷ তাদের ভুলেই যে 17000 হাজার ভোল্টের আলোর নিচে অন্ধকার|