দেশের হয়ে ভালো খেলেন আর ক্লাব ফুটবলে ব্যর্থ৷ কলকাতার দুই প্রধান এই তকমা সেটে দিয়ে কলকাতার ক্লাব থেকে বিদায়ের রাস্তা দেখিয়েছেন দেশের একনম্বর গোলকিপার সুব্রতকে৷ সমালোচকরা কতটা ঠিক তা হয়ত সময় বলবে৷ তবে এখন যে সুব্রত চ্যালেঞ্জ করার মত গোলকিপার ভারতে নেই তা কিন্তু স্বীকার করেন দেশের সব দলের কোচ৷ জাতীয় দলের হয়ে ক্রমাগত ভাবে ভালো খেলার পুরস্কার হিসাবে এ আই এফ এ বা সর্ব ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন তার বার্ষিক সাধারণ সভায় সোদপুরের গোলকিপারকে দেশের বর্ষসেরা স্বীকৃতি দিলেন৷
দেশের হয়ে যে ফুটবল খেলেছেন তা দেখে অনেক বিদেশি কোচ জানিয়েছেন অনায়াসে এশিয়া তো বটেই ইউরোপের ক্লাবে খেলার যোগ্যতা রয়েছে৷ সব সময় খোলাখুলি বলেন সুব্রত, বিদেশে ডাক পেলে সেখানে আগে যাব৷ তার পরিশ্রমের পুরস্কার এবার ফেডারেশনের হাত ধরে এল৷
1992 সালে থেকে সর্ব ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন এই পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে ছিলেন৷ মাঝে বিহারের ধানমুন্ডির বাঙালী ফুটবলার দীপক মন্ডল পুরস্কার পেয়েছিলেন৷ তার পর থেকে কোন বাঙালী ফুটবলার এই পুরস্কার পান নি৷ এমন কি কোন গোলকিপার এই প্রথম এই পুরস্কার পেলেন৷
পুরস্কার প্রাপ্তির কথা জেনে খুশি সুব্রত বলেন এত দিনের পরিশ্রমের মূল্য পেলাম৷ আগামী দিনে আরও ভালো কিছু করার চেষ্ঠা করার প্রতিশ্রুতি দিলেন৷ কোন ক্লাব কর্তা, কোচের বিরুদ্ধে বিষোদগার না করলেও দেশের সেরা গোলকিপারের স্বীকৃতি পেয়ে যে কলকাতার ক্লাবে খেলার অযোগ্য এই ধারনা তাকে এখন যন্ত্রনা দেয় তা কথাতে পরিস্কার৷
চলতি ফুসবল মরসুমে দেশের অন্যতম পন্ডিত ও সর্বজান্তা কোচ শ্রী সুভাষ ভৌমিকের পরামর্শে ইস্টবেঙ্গল কর্তারা তাকে দলে রাখেন নি৷ তবে এই পুরস্কার প্রাপ্তির ঘোষণার অনেক আগেই কিন্তু ক্লাবের এক কর্তা বলেন, সবজান্তা সুভাষের পরামর্শে বেশ কিছু ফুটবলার ছেড়ে দেওযা ভুল সিদ্ধান্ত হয়েছে৷
ছাত্রের এই পুরস্কার গর্বিত গুরু দেবাশিস ভট্টাচার্য বলেন, সুব্রত এখন নিজের সেরা থেকে বেশ অনেকটা দূরে৷ আরও ভালো কিছু করার ক্ষমতা রযেছে সোদপুরের মিষ্টু'র৷