ম্যাচে হচ্ছিল মোহনবাগন ও কালীঘাটের৷ টুর্নামেন্টের নাম কলকাতা প্রিমিয়ার লিগ৷ গ্যালারিতে, প্রেস বক্সে, এমন কি যেন মাঠেও আলোচনা রবিবারের ম্যাচ নিয়ে৷ মোহনবাগান প্রথমার্ধে টি এফ এর অভিজিতের দেওয়া গোলে জিতল বটে তবে তা নিয়ে আলোচনা নেই৷
বারংবার আলোচনায় উঠে আসল ম্যাচের ট্রাজিক নায়ক চিড্ডি৷ একাই যে সুযোগ পেযেছিলেন তা কাজে লাগালে অন্তত 6 টা গোল করার কথা৷ সেখানে একটাই হয় নি৷ সাধারণত এরকম দিনে কলকাতা ফুটবলে ট্রাজিক নায়কের জন্য জোট গালাগালা, ধিক্কার, ব্যারাকিং৷ তবে ম্যাচ শেষ করে যখন তাব্য ছেড়ে চিড্ডি বেরিয়ে যাচ্ছেন তখন ব্যরাকিং হল, তবে আব্দার নিয়ে কথা দাও রবিবারের বড় ম্যাচে এমন হবে না৷ শুনে সর্মথকদের আশ্বস্থ করলেন, বড় ম্যাচে এমন হবে না৷ গোল করবেন ও সর্মথকদের মুখে হাসি ফোটাবেন৷
এদিকে ইস্টবেঙ্গলের মত এই ম্যাচে রির্জাভ বেঞ্চকে পরখ করে নিলেন মোহনবাগান কোচ করিম৷ সেখানে যারা পরিবর্তে খেললেন তাদের মধ্যে কোন খেলোয়াড়কে কিন্তু রবিবারের ম্যাচীর পার্শ্বচরিত্র হয়ে দেখা যাবে না৷ তবে আগামী দিনের তারকা দেখা যেতে পারে৷
কলকাতায় একসঙ্গে জাতীয় লিগ ও কলকাতা প্রিমিযার লিগ শুরু হওয়া বেশ কিছু সমস্যা হলেও আগামী দিনের কিছু উঠতি তারকার সন্ধান পাওয়া যেতে পারে৷ ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগান যদি তাদের প্রথম একাদশের অধিকাংশ খেলোয়াড়কে বিশ্রাম দিয়ে দল নামায তাহ্লে হয়ত আখেরে লাভ হতে পারে কলকাতা ফুটবলের৷ যারা অন্য সময় রির্ভাভ বেঞ্চে বসে সময় কাটাতে হয় তাদের সামনে খেলার ও নিজেকে প্রমাণ করার একটা সুযোগ পাওয়া যেতে পারে৷