সুভাষের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি কর্তা থেকে সর্মথকদের
দুনিয়ার সপ্তম আশ্চর্য়ের তালিকায় হাওড়া বিজ্রের নাম আছে৷ এবার যদি এখনও ইস্টবেঙ্গল কোচ হিসাবে অপদার্থ সুভাষ থেকে যান তাহলে কিন্তু অষ্টম আশ্চর্যের তালিকায় নাম ওঠা নিশ্চিত বলে মনে করছেন ময়দানে দীর্ঘ দিন ধরে জড়িয়ে থাকা একাধিক ক্লাবের কর্তা৷
'মূর্খটার লজ্জা নাই, এরব পরে কি ভাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা কয়৷ ওইটার উচিত সারা জীবন ফুটবল থেকে দূরে থাকা৷ এখন'ও নাকি পদত্যাগ করে নাই৷ এর আগে চুরি করছে তাই নিয়ে সি বি আই তদন্ত চলছে৷ এবার পাঁচ গোল নিয়ে সি বি আই তদন্ত হওয়া উচিত্৷ কত টাকা মোহনবাগান থেকে নিছে''৷ ম্যাচ শেষে স্টেডিয়াম থেকে বেরিয়ে আসার সময় প্রায় রোজই মাঠে আসা এক ইস্টবেঙ্গল সর্মথক এই মন্তব্য করে গেলেন৷ হয়ত খুব ভুল বলেন নি৷
বছরের শুরুতে দল গঠনের সময় সুভাষ বলেছিলেন, ব্যর্থ হলে সরে যাবেন৷ ম্যাচের প্রায় 12 ঘন্টা পরে পদত্যাগ করেছেন এমন কোন খবর নেই৷ হয়ত সুভাষেরর অভিধানে ব্যর্থতার সংঘা আলাদা৷ পাঁচ গোল খাওয়ার পরে সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেছেন পাঁচ গোল খেয়েছি৷ পাঁচ গোলে তো আর হারিনি৷ পদত্যাগ করা নিয়ে কিছু বলতে রাজি হন নি৷
কথায় কথায় ইস্টবেঙ্গল কোচ বলেন, ভাতের হাড়ি চড়িয়ে কোচিং করাতে আসেন নি৷ কিসের মোহে এখন ময়দানে আঠার মত আটকে রয়েছেন তাই প্রশ্ন৷ কবে পদত্যাগ করবেন তা নিয়ে ক্লাব কর্তারা কিছু বলতে রাজি না হলেও সকলেই কিন্তু চাইছেন সুভাষ নিজে ছেড়ে চলে যাক৷
এদিকে ময়দানে গুজব ম্যাচে 48 ঘন্টা আগে নাকি এক মোহনবাগান কর্তা সুভাষের বাড়িতে গিয়েছিলেন৷ অনেকের অনুমান কোন গোপন চুক্তি হয়ে থাকতে পারে৷ এক ইস্টবেঙ্গল কর্তা ফোনে জানান সুভাষের বিরুদ্ধে কমিশন বসানো হোক৷